নিউজিল্যান্ড যেতে কত টাকা লাগে?

 

ওয়েলিংটন এর রাজধানী

ইংরেজি,মাওরি,সাংকেতিক ভাষা 

বাংলাদেশ থেকে আমরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রয়োজনে বিভিন্ন দেশে যেয়ে থাকিকখনও কাজের জন্য,কখনও পড়াশোনার জন্য আবার কখন ভ্রমণের  উদ্দেশ্যআমাদের দেশ থেকে ইদানিং নিউজিল্যান্ডেও অনেক লোক যেতে আগ্রহী 

যেকোন জায়গায় যাওয়ার পূর্বে সেই জায়গায় কি পরিমাণ খরচ হয় সে সম্পর্কে ভালো মতো খোঁজখবর নেয়া উচিত।তাই আসুন আমরা আগে নিউজিল্যান্ড সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করি। 

 সুচিপত্রঃ

স্বপ্নের দেশ নিউজিল্যান্ড

নিউজিল্যান্ড হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম একটি উন্নত দেশ।এই দেশে জীবন যাত্রার মান উন্নত হওয়ার কারনে অনেকে এই দেশে যেতে আগ্রহ প্রকাশ করে।নিউজিল্যান্ডের বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় ৫১ লক্ষ। নিউজিল্যান্ডে চারটি অফিশিয়াল ভাষা চালু রয়েছে,ইংরেজি,মাওরি,সাংকেতিক ভাষা।এর মুদ্রার নাম নিউজিল্যান্ড ডলার। ওয়েলিংটন এর রাজধানী।

 

 ভিসার প্রকারভেদ

 নিউজিল্যান্ড যেতে কি পরিমাণ খরচ হবে তা নির্ভর করে আপনি কোন ভিসা সেখানে যাচ্ছেন তার ওপরনিউজিল্যান্ডে  বিভিন্ন ধরণের ভিসা চালু রয়েছ, যেমন কাজের ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা,ভ্রমন ভিসা, ইত্যাদি।

কাজের ভিসারও আবার বিভিন্ন ধরন রয়েছে,

কাজের ভিসাঃ একটি নির্দিষ্ট কাজের জন্য আপনাকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্বাচন করা হবে। সেই অনুযায়ী আপনার জন্য কন্টাট ফরম পাথানো হবে। 





পোষ্ট স্টাডি কাজের ভিসাঃ এই ভিসা তাদের জন্য প্রযোজ্য যারা উচ্চ শিক্ষার জন্য যায়, তাদের পড়া শেষ হয়ে গেলে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এই কাজের ভিসা দেয়া হয়।

মৌসুমি কাজের ভিসাঃ কিছু কিছু কাজ সারাবছর ধরে চলে না কিন্তু কিছু নির্দিষ্ট সময়ে হয়ে থাকে সেই সময়ে সেই কাজের জন্য শ্রমিক প্রয়োজন হলে এই ভিসা দিয়ে থাকে।এই ভিসার মেয়াদ সাধারনত এক বছরের কম হয়ে থাকে।

খরচের বিবরন

কাজের ভিসার ক্ষেত্রে খরচঃ নিউজিল্যান্ডের জব সাইটের মাধ্যমে আবেদনের ক্ষেত্রে সাধারণত ৬ থেকে ৮ লক্ষ টাকা খরচ হবে।এইক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই নিজে নিজে আবেদন করতে হবে এবং ইন্টারভিউ দেয়ার পর নির্বাচিত হলে  এই খরচে যেতে পারবেন। অন্যদিকে আপনি যদি কোন এজেন্সির মাধ্যমে যেতে চান সেক্ষেত্রে খরচ পরতে পারে ১৫ থেকে ২০ লক্ষ টাকা।




স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে খরচঃ স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে আপনার খরচ নির্ভর করে আপনি কোন প্রোগ্রামে যেতে চাচ্ছেন তার উপর।এছাড়াও নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে নির্দিষ্ট টিউশন ফি।এছাড়াও রয়েছে আলাদা আলাদা শহরে আলাদা আলাদা খরচ।তাই এই ক্ষেত্রে খরচ বিভিন্ন হয়ে থাকে। সাধারণত এই ক্ষেত্রে খরচ পরে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার নিউজিল্যান্ড ডলার যা বাংলা টাকায় ২১ থেকে ২৫ লক্ষ মতো।

 ভ্রমণ ভিসার ক্ষেত্রে খরচঃ ভ্রমণ  ভিসার ক্ষেত্রে খরচের রয়েছে ভিন্নতা।নিউজিল্যান্ড ভ্রমণের জন্য যেতে হলে যেসব বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে তা হল ,ব্যাংক ব্যালান্স ,ভ্রমণের উদ্দেশ্য ,ভ্রমণ কালিন কোথায় থাকবেন ইত্যাদি।বিমান ভাড়া, থাকা খাওয়া, ঘোরাঘুরি সব মিলিয়ে একজন মানুষের ১০-১৫ দিনের একটি ভ্রমনে ৫ থেকে ৬ লক্ষ টাকা মতো খরচ হবে। আপনার থাকার চাহিদা অনুযায়ী খরচ কম বেশি হতে পারে।

শেষ কথা 

নিউজিল্যান্ড যেতে কত খরচ হবে, সেটা নির্ভর করছে আপনি কি কাজে সেখানে যেতে চাচ্ছেন সেই বিষয়ের উপর।খরচের বিষয়টি মাথায় নিয়ে খরচ সম্পর্কে ভালোভাবে জানুন।যেকোন জায়গায় যাওয়ার আগে আমাদের সবার উচিত সেই জায়গা সম্পর্কে জানার পাশাপাশি সেই জায়গায় যেতে হলে কত খরচ পড়বে সেই বিষয় নিয়ে ভাবা।নিজের আর্থিক দিক বিবেচনা করে যেকোন পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Md.Azizur Rahman
Md. Azizur Rahman
একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সপার্ট ও আজিজুর জেআর সার্ভিসেসের এডমিন। তিনি অনলাইন ইনকাম, ব্লগিং, SEO ও টেকনোলজি নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। ৫ বছরের অভিজ্ঞতায় তিনি শিক্ষার্থীদের অনলাইনে সফল হতে সহায়তা করে যাচ্ছেন।