দুবাই ভিসা কবে চালু হবে
দুবাই ভিসা চালু হওয়ার সম্ভাব্য সময়
দুবাই এক সময় বাংলাদেশের জন্য অন্যতম সেরা শ্রমবাজার ছিল।এখানে আমাদের দেশেরনেক শ্রমিক কাজ করত,যা বর্তমানে অতিত।দুবাই থেকে আমাদের দেশে প্রচুর রেমিট্যান্স আসত একটা সময় যেটা আমাদের অর্থনীতিকে অনেক শক্তিশালী করে রাখতো।সৌদি আরব, কাতার,ওমান, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার পাশাপাশি আমাদের অনেক শ্রমিক জীবিকার তাগিদে দুবাইতেও পাড়ি জমাত।কিন্তু হঠাৎ করেই আনুমানিক ২০১১/২০১২ সালের দিক থেকে দুবাই আমাদের দেশ থেকে শ্রমিক নেয়া কমিয়ে দেয়।আমাদের বৈদেশিক শ্রমবাজারের অনেকটা ধাক্কা খায় সেই থেকেই।অনেক অদক্ষ শ্রমিক নিয়ে বাংলাদেশের জন্য বৈদেশিক শ্রমবাজারের সুযোগ কমে আসে।বাংলাদেশের জন্য দুবাই এর ভিসা আস্তে আস্তে কমতে কমতে এখন প্রায় বন্ধ।আমাদের দেশের শ্রমিকরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে কবে দুবাই এর শ্রমবাজার আবার তাদের জন্য চালু হবে।
দুবাই ভিসার প্রকার
যেকোন দেশে অন্য দেশের জন্য কয়েক প্রকারের ভিসা প্রদান করে থাকে। দুবাইও সেই দেশে প্রবেশের জন্য কয়েক প্রকারের ভিসা প্রদান করে থাকে।যেমনঃ
১। ট্যুরিস্ট ভিসাঃ যা প্রদান করা হয় স্বল্পসময় ভ্রমণের জন্য।
২।রেসিডেন্সি ভিসাঃ দীর্ঘ সময় বসবাসের জন্য প্রদান করা হয়ে থাকে।
৩।কর্ম সংস্থান ভিসাঃ স্থানীয় নিয়ম অনুযায়ী কাজের জন্য যে ভিসা দেয় তাকেই কর্ম সংস্থান ভিসা বলে।
৪।ব্যবসায়িক ভিসাঃ ব্যবসার উদ্দেশে ভ্রমণের জন্য দেয়।
৫।গোল্ডেন ভিসাঃ বিভিন্ন প্রতিভাবান ব্যক্তি, দক্ষ পেশাদার, বিনিয়োগকারি ও ব্যবসার মালিকদের দীর্ঘ সময় বসবাসের জন্য দিয়ে থাকে।
এগুলো ছাড়াও বিভিন্ন দেশে আরও ভিন্ন ভিন্ন ধরনের ভিসা প্রদান করে থাকে।
দুবাইতে বর্তমানে ফ্রিজোনের ভিসা চালু আছে,যা মোটামুটি সারা বছরই চালু থাকেে। এছাড়াও যাদের উচ্চ শিক্ষা আছে তারা হাই লেভেলের চাকরির জন্য চেষ্টা করতে পারেন, যদি দুবাই এম্বাসি বাংলাদেশ থেকে শিক্ষা সনদ অ্যাটাস্টেড করা থাকে।এগুলো ছাড়া আর কোন ভিসা বাংলাদেশের জন্য বর্তমানে চালু নেই।আশা করা যাচ্ছে ধীরে ধীরে হয়ত আবার বাংলাদেশের জন্য দুবাই শ্রম বাজার খুলবে।
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url